বিকাশ, নগদ, রকেটসহ দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতিতে মুহূর্তের মধ্যে টাকা জমা ও তোলা। fk10-এর পেমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশের বেটারদের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
fk10-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো সাপোর্ট করা হয়। আপনার সুবিধামতো যেকোনো একটি বেছে নিন।
fk10-এ টাকা জমা করা মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
ডিপোজিটের সময় fk10-এর নিবন্ধিত নম্বর বা একাউন্ট নম্বরেই পাঠান। ভুল নম্বরে পাঠালে টাকা ফেরত পাওয়া কঠিন হতে পারে।
জেতা টাকা তুলে নেওয়া fk10-এ একদম সহজ। শুধু নিচের ধাপ মানুন।
উইথড্রয়াল করার আগে নিশ্চিত করুন যে বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত পূরণ হয়েছে। না হলে অনুরোধ প্রক্রিয়া হবে না।
fk10-এ প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতির জন্য নির্দিষ্ট সীমা ও প্রক্রিয়াকরণের সময় রয়েছে।
* সীমাগুলো পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য একাউন্ট ড্যাশবোর্ড চেক করুন।
অনলাইন বেটিং করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় যে সমস্যায় বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা পড়েন তা হলো পেমেন্টের ঝামেলা। কোনো সাইটে ডিপোজিট হয়, কিন্তু উইথড্রয়াল করতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। আবার কোনো কোনো প্ল্যাটফর্মে দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করে না বলে ব্যবহারকারীরা বিপদে পড়েন। fk10 এই সমস্যাগুলো মাথায় রেখেই তাদের পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি করেছে।
বিকাশ, নগদ, রকেট — এই তিনটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষ ব্যবহার করেন। fk10-এ এই তিনটি সেবার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট করা যায়, এবং উইথড্রয়ালেও খুব বেশি সময় লাগে না। সাধারণত ডিপোজিট রিকোয়েস্ট দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যালেন্স একাউন্টে যোগ হয়ে যায়।
বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট করার পর সাধারণত ১ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্স fk10 একাউন্টে দেখা যায়। তবে মাঝে মাঝে নেটওয়ার্ক সমস্যা বা পেমেন্ট গেটওয়ের ব্যস্ততার কারণে ১৫–৩০ মিনিট পর্যন্ত সময় লা গতে পারে। এ ক্ষেত্রে ঘাবড়ানোর কিছু নেই — লেনদেনের রেফারেন্স নম্বর রেখে কাস্টমার সাপোর্টে যোগাযোগ করলেই সমাধান পাবেন।
fk10-এ উইথড্রয়াল করার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখা ভালো। প্রথমত, আপনার একাউন্টে KYC যাচাইকরণ সম্পন্ন থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, যদি কোনো বোনাস ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেই বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত উইথড্রয়াল করা সম্ভব হবে না। তৃতীয়ত, উইথড্রয়ালের জন্য যে মোবাইল নম্বর দেবেন সেটি অবশ্যই আপনার নিজের নামে নিবন্ধিত হতে হবে।
fk10 সাধারণত দিনের বেলা উইথড্রয়াল অনুরোধ দ্রুত প্রক্রিয়া করে। সন্ধ্যার পরে করা অনুরোধগুলো পরদিন সকালে প্রক্রিয়া হতে পারে। তবে জরুরি প্রয়োজনে লাইভ চ্যাট সাপোর্টে জানালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান পাওয়া যায়।
fk10-এর পেমেন্ট সিস্টেমে ডিপোজিটের জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না। তবে উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারীর নিজস্ব চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। যেমন বিকাশ বা নগদ তাদের নিজস্ব ক্যাশআউট চার্জ নেয়, সেটি আপনার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট থেকে কাটা হয়, fk10-এর পক্ষ থেকে নয়।
ব্যাংক ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ব্যাংক নিজেই কিছু চার্জ নিতে পারে। ক্রিপ্টো লেনদেনের জন্য নেটওয়ার্ক ফি (গ্যাস ফি) প্রযোজ্য, যা ব্লকচেইনের অবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তন হয়।
অনেক আন্তর্জাতিক বেটিং প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি কাজ করে না, ফলে ব্যবহারকারীদের জটিল পদ্ধতিতে টাকা পাঠাতে হয়। fk10-এ এই সমস্যা নেই। এখানে আপনার পরিচিত অ্যাপ ব্যবহার করেই মুহূর্তে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এমনকি স্মার্টফোন না থাকলেও বিকাশের *২৪৭# কোড দিয়ে পেমেন্ট করা সম্ভব।
fk10 নিয়মিত পেমেন্ট বোনাস অফার করে। প্রথম ডিপোজিটে বিশেষ বোনাস থেকে শুরু করে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক পর্যন্ত নানা সুবিধা পাওয়া যায়। ঈদ বা অন্য উৎসবের সময় বিশেষ ডিপোজিট অফারও আসে, যা মিস না করাই ভালো।
fk10-এ প্রতিটি আর্থিক লেনদেন সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সাথে সম্পন্ন হয়। আপনার অর্থ ও তথ্য সুরক্ষিত রাখতে আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করি।
আর্থিক লেনদেন নিয়ে সবচেয়ে বেশি যা জিজ্ঞেস করা হয় তার উত্তর এখানে দেওয়া হয়েছে।